ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেমিক্যাল গোডাউন অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা নাঈমের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
০৬:২৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাজীপুরের টঙ্গীতে কেমিক্যাল কারখানার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আহত ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর খন্দকার জান্নাতুল নাঈম (৩৭) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর টঙ্গীর সাহারা মার্কেটের কেমিক্যাল কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অংশ নিয়ে আগুন নেভানোর সময় তিনি দগ্ধ হন। তার শরীরের ৪২ শতাংশ পুড়ে যায়।

এ ঘটনায় মোট চারজন ফায়ার সার্ভিস কর্মী আহত হন। এর মধ্যে ইতোমধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর ফায়ারফাইটার শামীম আহমেদ এবং ২৪ সেপ্টেম্বর ফায়ারফাইটার নুরুল হুদা মারা যান। সর্বশেষ মৃত্যুবরণ করলেন ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর জান্নাতুল নাঈম।

খন্দকার জান্নাতুল নাঈম ১৯৮৮ সালের ২৪ আগস্ট শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার গড়দুয়ারা ইউনিয়নের খন্দকার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে যোগ দেন। কর্মজীবনে মানিকগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ ফায়ার স্টেশনে স্টেশন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে পদোন্নতি পেয়ে ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর হিসেবে চট্টগ্রাম ও সর্বশেষ টঙ্গী ফায়ার স্টেশনে কর্মরত ছিলেন।

ব্যক্তিজীবনে তিনি বিবাহিত ছিলেন এবং এক সন্তানের জনক। তার পিতা খন্দকার মোজাম্মেল হক ও মাতা দেলোয়ারা বেগম।

ফায়ার সার্ভিসের ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৫১ জন সদস্য প্রাণ দিয়েছেন। সর্বশেষ সেই আত্মত্যাগের মিছিলে যুক্ত হলো খন্দকার জান্নাতুল নাঈমের নাম।

কেমিক্যাল গোডাউন অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা নাঈমের মৃত্যু

০৬:২৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাজীপুরের টঙ্গীতে কেমিক্যাল কারখানার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আহত ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর খন্দকার জান্নাতুল নাঈম (৩৭) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর টঙ্গীর সাহারা মার্কেটের কেমিক্যাল কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অংশ নিয়ে আগুন নেভানোর সময় তিনি দগ্ধ হন। তার শরীরের ৪২ শতাংশ পুড়ে যায়।

এ ঘটনায় মোট চারজন ফায়ার সার্ভিস কর্মী আহত হন। এর মধ্যে ইতোমধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর ফায়ারফাইটার শামীম আহমেদ এবং ২৪ সেপ্টেম্বর ফায়ারফাইটার নুরুল হুদা মারা যান। সর্বশেষ মৃত্যুবরণ করলেন ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর জান্নাতুল নাঈম।

খন্দকার জান্নাতুল নাঈম ১৯৮৮ সালের ২৪ আগস্ট শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার গড়দুয়ারা ইউনিয়নের খন্দকার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে যোগ দেন। কর্মজীবনে মানিকগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ ফায়ার স্টেশনে স্টেশন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে পদোন্নতি পেয়ে ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর হিসেবে চট্টগ্রাম ও সর্বশেষ টঙ্গী ফায়ার স্টেশনে কর্মরত ছিলেন।

ব্যক্তিজীবনে তিনি বিবাহিত ছিলেন এবং এক সন্তানের জনক। তার পিতা খন্দকার মোজাম্মেল হক ও মাতা দেলোয়ারা বেগম।

ফায়ার সার্ভিসের ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৫১ জন সদস্য প্রাণ দিয়েছেন। সর্বশেষ সেই আত্মত্যাগের মিছিলে যুক্ত হলো খন্দকার জান্নাতুল নাঈমের নাম।