ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে রমজানে পণ্যের দাম বাড়বে না

নিজস্ব প্রতিবেদক
০৬:১৭:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, খেজুরসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনগুলোর প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান।

বুধবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। সভায় উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই-এর সাবেক পরিচালক, বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি, বাজার সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং সরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা—যেমন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, টিসিবি, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে আবদুর রহিম খান বলেন, “সরকার একা নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে পারবে না; এজন্য সরকার, বেসরকারি খাত এবং গণমাধ্যমকে একযোগে কাজ করতে হবে।”

সভা শুরুর আগে এফবিসিসিআই-এর মহাসচিব মো. আলমগীর নিত্যপণ্যের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। এতে অতীতে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির কারণ, বাজার নিয়ন্ত্রণের উপায় এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হয়।

আলোচনায় ব্যবসায়ীরা জানান, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে আসন্ন রমজানে চিনিসহ ভোজ্যতেল, চাল, ডাল, খেজুরের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। মিল মালিকদের প্রতিনিধিরা বলেন, এ বছর আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম তুলনামূলক কম এবং দেশেও পরিস্থিতি ভালো। তবে শীতকালে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হলে উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও কম দামে বাজারে সয়াবিন ও পামওয়েল বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে রমজানে তেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা নেই। তারা আরও বলেন, কিছু পণ্যের আমদানি শুল্ক পুনর্বিবেচনা করা হলে বাজার স্থিতিশীল থাকবে। পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগে তেল আমদানির পরামর্শও দেন তারা।

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, অনেক সময় সরকারি অভিযানের নামে তাদের অযৌক্তিকভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আবদুর রহিম খান বলেন, “সরকারি সংস্থাগুলোর অভিযানের উদ্দেশ্য ব্যবসায়ীদের ক্ষতি নয়, বরং ভোক্তা ও ব্যবসায়ী উভয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।”

তিনি ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান, “আইন-কানুন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করলে সরকার সব সময় আপনাদের পাশে থাকবে।”

সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে রমজানে পণ্যের দাম বাড়বে না

০৬:১৭:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, খেজুরসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনগুলোর প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান।

বুধবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। সভায় উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই-এর সাবেক পরিচালক, বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি, বাজার সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং সরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা—যেমন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, টিসিবি, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে আবদুর রহিম খান বলেন, “সরকার একা নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে পারবে না; এজন্য সরকার, বেসরকারি খাত এবং গণমাধ্যমকে একযোগে কাজ করতে হবে।”

সভা শুরুর আগে এফবিসিসিআই-এর মহাসচিব মো. আলমগীর নিত্যপণ্যের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। এতে অতীতে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির কারণ, বাজার নিয়ন্ত্রণের উপায় এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হয়।

আলোচনায় ব্যবসায়ীরা জানান, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে আসন্ন রমজানে চিনিসহ ভোজ্যতেল, চাল, ডাল, খেজুরের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। মিল মালিকদের প্রতিনিধিরা বলেন, এ বছর আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম তুলনামূলক কম এবং দেশেও পরিস্থিতি ভালো। তবে শীতকালে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হলে উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও কম দামে বাজারে সয়াবিন ও পামওয়েল বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে রমজানে তেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা নেই। তারা আরও বলেন, কিছু পণ্যের আমদানি শুল্ক পুনর্বিবেচনা করা হলে বাজার স্থিতিশীল থাকবে। পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগে তেল আমদানির পরামর্শও দেন তারা।

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, অনেক সময় সরকারি অভিযানের নামে তাদের অযৌক্তিকভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আবদুর রহিম খান বলেন, “সরকারি সংস্থাগুলোর অভিযানের উদ্দেশ্য ব্যবসায়ীদের ক্ষতি নয়, বরং ভোক্তা ও ব্যবসায়ী উভয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।”

তিনি ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান, “আইন-কানুন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করলে সরকার সব সময় আপনাদের পাশে থাকবে।”